Dhaka ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কানাইঘাটে স্কুল ছুটির পর নিখোঁজ প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহা, সন্ধান চায় পরিবার। প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ, মুলাগুলে তরুণকে জুতা দিয়ে পেটানোর ভিডিও ভাইরাল—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: কানাইঘাটের বহুল প্রত্যাশিত ও জনগুরুত্বপূর্ণ গাজী বুরহান উদ্দিন সড়কের সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, দ্রুত কাজ সম্পন্নের প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে কানাইঘাটের গর্ব হাফেজ কামরুজ্জামান কামিলকে গণসংবর্ধনা। সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭৬০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২ কানাইঘাটে নূর উদ্দিন ভন্ড উজার আয়োজনে হিজড়াদের নাচ? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও, উঠেছে নানা প্রশ্ন! সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সড়কের বাজার অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জের বিরুদ্ধে থানায় দুটি অভিযোগ। বড়চতুলে পুনরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন কি না—গ্রামবাসীর মতামত চাইলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী! গাজী বোরহান উদ্দিন সড়কের সংস্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর কাল, থাকবেন আরিফুল হক, মুফতি আবুল হাসান ও মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। শ্রমিক হয়রানি বন্ধ ও লোভাছড়া পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবিতে মূলাগুল বাজারে শ্রমিক সমাবেশ।

আসসালামু আলাইকুম “জুম্মা মোবারক” জুম্মার দিনের ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ আমল |

মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন।

হজরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—পূর্ববর্তী উম্মতদের কাছে জুমার মর্যাদা গোপন রাখা হয়েছিল। ইহুদিরা শনিবার এবং খ্রিস্টানরা রবিবারকে পবিত্র দিন হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের জন্য নির্ধারণ করেন জুমাবারকে (মুসলিম, হাদিস ৮৫৬)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও পাঁচটি বিশেষ ঘটনার মাধ্যমে জুমার শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন—এ দিনেই সৃষ্টি হন হজরত আদম (আ.), এ দিনেই তাকে পৃথিবীতে অবতীর্ণ করা হয়, এ দিনেই তার ইন্তেকাল ঘটে। জুমার দিনেই রয়েছে এমন একটি সময়, যখন বান্দার দোয়া কবুল হয়—যদি সে হারাম কিছু না চায়। আর কিয়ামতও সংঘটিত হবে এই দিনেই (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৮৯৫)। মানবজাতির সূচনা ও সমাপ্তির স্মারক হিসেবে জুমার দিন অনন্য মর্যাদাসম্পন্ন।

আরও পড়ুন

যেভাবে পড়বেন তারাবির নামাজের দোয়া ও মোনাজাত
জুমার দিনে বিশেষ ৬ আমল

জুমার দিন গোসল করা

জুমার দিন গোসল করার অনেক ফজিলত রয়েছে। গোসল করে সবার আগে মসজিদে যাওয়া সওয়াবের। হজরত আউস বিন আউস সাকাফি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তার জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে। (আবু দাউদ, হাদিস ৩৪৫)

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

মসজিদে সবার আগে যাওয়া

শুক্রবারে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে আগে প্রবেশ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল…। (বোখারি, হাদিস ৮৪১) জুমার দিন দোয়া কবুল হয় জুমার দিন একটি সময় আছে, যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আছরের পর অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ ১০৪৮)

হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্তটি তোমরা আছরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ ১০৪৮)

জুমার নামাজ

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে। (মুসলিম হাদিস ২৩৩)

আরও পড়ুনঃ  ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১

হজরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন। (বোখারি, হাদিস ৮৮৩)

সুরা কাহাফের ফজিলত

জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। হজরত আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। যে ব্যক্তি অজুর পর এই দোয়া পড়বে তার নাম একটি চিঠিতে লেখা হবে। অতঃপর তাতে সিল দেওয়া হবে, যা কিয়ামত পর্যন্ত আর ভাঙা হবে না। (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭৬০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২

দরুদ শরিফের ফজিলত

জুমার দিন রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা অনেক সাওয়াব। হজরত আউস বিন আবি আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়। কারণ জুমার দিনে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়। (আবু দাউদ ১০৪৭)

জুমার দিনের আমল

হাদিসগুলো পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, জুমার দিনের কিছু কাজে সাওয়াব মিলে। যেমন, নখ কাটা, গায়ের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা, উত্তমরূপে গোসল করা, উত্তম পোশাক পরিধান করা, সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যদি তার নিকট থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ করে থাকে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সব সগিরা গুনাহের জন্য কাফ্ফারা হবে (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জুমার দিন এসব আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Copied from: https://rtvonline.com/

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কানাইঘাটে স্কুল ছুটির পর নিখোঁজ প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহা, সন্ধান চায় পরিবার।

আসসালামু আলাইকুম “জুম্মা মোবারক” জুম্মার দিনের ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ আমল |

আপডেটের সময়: ০৮:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন।

হজরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—পূর্ববর্তী উম্মতদের কাছে জুমার মর্যাদা গোপন রাখা হয়েছিল। ইহুদিরা শনিবার এবং খ্রিস্টানরা রবিবারকে পবিত্র দিন হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের জন্য নির্ধারণ করেন জুমাবারকে (মুসলিম, হাদিস ৮৫৬)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও পাঁচটি বিশেষ ঘটনার মাধ্যমে জুমার শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন—এ দিনেই সৃষ্টি হন হজরত আদম (আ.), এ দিনেই তাকে পৃথিবীতে অবতীর্ণ করা হয়, এ দিনেই তার ইন্তেকাল ঘটে। জুমার দিনেই রয়েছে এমন একটি সময়, যখন বান্দার দোয়া কবুল হয়—যদি সে হারাম কিছু না চায়। আর কিয়ামতও সংঘটিত হবে এই দিনেই (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৮৯৫)। মানবজাতির সূচনা ও সমাপ্তির স্মারক হিসেবে জুমার দিন অনন্য মর্যাদাসম্পন্ন।

আরও পড়ুন

যেভাবে পড়বেন তারাবির নামাজের দোয়া ও মোনাজাত
জুমার দিনে বিশেষ ৬ আমল

জুমার দিন গোসল করা

জুমার দিন গোসল করার অনেক ফজিলত রয়েছে। গোসল করে সবার আগে মসজিদে যাওয়া সওয়াবের। হজরত আউস বিন আউস সাকাফি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তার জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে। (আবু দাউদ, হাদিস ৩৪৫)

আরও পড়ুনঃ  সংবর্ধনার নামে হাফিজ ওসামাকে অপমান, ক্ষুব্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিয়ে

মসজিদে সবার আগে যাওয়া

শুক্রবারে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে আগে প্রবেশ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল…। (বোখারি, হাদিস ৮৪১) জুমার দিন দোয়া কবুল হয় জুমার দিন একটি সময় আছে, যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আছরের পর অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ ১০৪৮)

হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্তটি তোমরা আছরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করো। (আবু দাউদ ১০৪৮)

জুমার নামাজ

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে। (মুসলিম হাদিস ২৩৩)

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭৬০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২

হজরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন। (বোখারি, হাদিস ৮৮৩)

সুরা কাহাফের ফজিলত

জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। হজরত আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। যে ব্যক্তি অজুর পর এই দোয়া পড়বে তার নাম একটি চিঠিতে লেখা হবে। অতঃপর তাতে সিল দেওয়া হবে, যা কিয়ামত পর্যন্ত আর ভাঙা হবে না। (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)

আরও পড়ুনঃ  ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১

দরুদ শরিফের ফজিলত

জুমার দিন রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা অনেক সাওয়াব। হজরত আউস বিন আবি আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়। কারণ জুমার দিনে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়। (আবু দাউদ ১০৪৭)

জুমার দিনের আমল

হাদিসগুলো পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, জুমার দিনের কিছু কাজে সাওয়াব মিলে। যেমন, নখ কাটা, গায়ের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা, উত্তমরূপে গোসল করা, উত্তম পোশাক পরিধান করা, সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যদি তার নিকট থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ করে থাকে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সব সগিরা গুনাহের জন্য কাফ্ফারা হবে (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জুমার দিন এসব আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Copied from: https://rtvonline.com/