দীর্ঘ ৬০ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে তাদের সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল। সেমিফাইনালে নাটকীয় পরাজয়ের পর চোখের জলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল থমাস টুখেলের দল।
ম্যাচের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। এক গোলের লিড ধরে রেখে ফাইনালের স্বপ্ন দেখছিল থ্রি লায়ন্সরা। তবে ম্যাচের শেষদিকে বদলে যায় পুরো চিত্র।
খেলার ৮৫ মিনিটে লিওনেল মেসির প্রথম অ্যাসিস্টে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-১ সমতায় ফেরান চেলসি তারকা এনজো ফের্নান্দেস। এরপর ম্যাচ যখন নিশ্চিতভাবে অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে লিওনেল মেসির জাদুকরী পাস (দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট) থেকে বল পেয়ে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপিয়ে দেন বদলি নামা স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস। তার গোলেই ফাইনালের টিকিট কাটে আলবিসেলেস্তারা। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের চোখেমুখে নেমে আসে হতাশা। কেউ মাঠে বসে পড়েন, কেউ সতীর্থদের জড়িয়ে ধরে কান্না সামলানোর চেষ্টা করেন। দীর্ঘ ৬০ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে আসা ইংলিশদের বিদায় তাই হয়ে উঠল আরও বেদনাদায়ক।
এর আগে ২০১৮ ও ১৯৯০ সালে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ইংলিশরা। তবে ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ২-১ গোলে এবং ১৯৯০ সালে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানির সঙ্গে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল তারা।
আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইউরোপিয়ান জায়ান্ট স্পেনের মুখোমুখি হবে স্কালোনির শিষ্যরা। কার হাতে উঠবে শিরোপা এ
প্রতিবেদকের নাম 



















