Dhaka ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১ তেলের টাকাই উঠছে না দিনে ভর্তুকি ৫০ হাজার নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে কানাইঘাটের চতুল বাজারে সংঘর্ষ, উত্তেজনা! নতুন স্বপ্নের পথে নবীনদের পদচারণা, একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জানাই উষ্ণ স্বাগতম সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং! জকিগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ২১ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন সংবর্ধনার নামে হাফিজ ওসামাকে অপমান, ক্ষুব্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিয়ে কালিগঞ্জে স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইভটিজিংয়ের শিকার, কয়েক সপ্তাহ পর শিক্ষার্থীর মৃত্যু ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই সহজ ঋণের সুযোগ, জেনে নিন নিয়ম ডিজেল-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল, নতুন দর কার্যকর!

আমার ধর্ম ইসলাম, আমি কেন মন্দিরে অনুদান দেব?-ফাহিম আল ইসহাক

অন্য ধর্মের উপাসনালয়, বিশেষ করে মন্দির বা গির্জায় আর্থিক অনুদান প্রদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের বিশিষ্ট সমাজসেবক ফাহিম আল চৌধুরী। সম্প্রতি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য দেন।

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, তিনি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী অনুশাসনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার দাবি, একজন মুসলিম হিসেবে ইসলামী শরিয়তের বিধান মেনে চলাই তার দায়িত্ব, আর সেই কারণেই তিনি অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে সরাসরি আর্থিক অনুদান দিতে রাজি নন।

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার ঈমান ঠিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলা একজন মুসলিম হিসেবে অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে অনুদান দেওয়া আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী।”

তবে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তার এই অবস্থান কোনো সম্প্রদায় বা ধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ কিংবা বৈষম্যমূলক মনোভাব থেকে নয়। বরং মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সব ধর্মের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ যে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ, রাস্তাঘাট সংস্কার কিংবা ব্যক্তিগত বিপদ-আপদে মানবিক সহায়তা করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রস্তুত। তবে ধর্মীয় উপাসনালয়ের ফান্ডে অনুদান দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। একাংশ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অবস্থানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করছেন।

তবে সব মিলিয়ে মানবিক সহায়তা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে অবস্থান রেখে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রশ্নে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার কারণে বিষয়টি জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১

আমার ধর্ম ইসলাম, আমি কেন মন্দিরে অনুদান দেব?-ফাহিম আল ইসহাক

আপডেটের সময়: ১২:৫৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

অন্য ধর্মের উপাসনালয়, বিশেষ করে মন্দির বা গির্জায় আর্থিক অনুদান প্রদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের বিশিষ্ট সমাজসেবক ফাহিম আল চৌধুরী। সম্প্রতি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য দেন।

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, তিনি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী অনুশাসনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার দাবি, একজন মুসলিম হিসেবে ইসলামী শরিয়তের বিধান মেনে চলাই তার দায়িত্ব, আর সেই কারণেই তিনি অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে সরাসরি আর্থিক অনুদান দিতে রাজি নন।

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার ঈমান ঠিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলা একজন মুসলিম হিসেবে অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে অনুদান দেওয়া আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী।”

তবে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তার এই অবস্থান কোনো সম্প্রদায় বা ধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ কিংবা বৈষম্যমূলক মনোভাব থেকে নয়। বরং মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সব ধর্মের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ যে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ, রাস্তাঘাট সংস্কার কিংবা ব্যক্তিগত বিপদ-আপদে মানবিক সহায়তা করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রস্তুত। তবে ধর্মীয় উপাসনালয়ের ফান্ডে অনুদান দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

আরও পড়ুনঃ  সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং!

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। একাংশ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অবস্থানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করছেন।

তবে সব মিলিয়ে মানবিক সহায়তা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে অবস্থান রেখে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রশ্নে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার কারণে বিষয়টি জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।