Dhaka ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
যুক্তরাজ্যে মোট বাংলাদেশিদের ৯০-৯৫% সিলেটি সিলেটি বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫-৬ লাখ প্রিয় শায়খে লক্ষীপুরী হাফিজাহুল্লাহ এখন মোটামুটি সুস্থ আছেন এবং চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জকিগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মাসুক আহমদ সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৪০০০ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। ৪০০ ছাড়াল কাঁচামরিচ, অনিয়ন্ত্রিত সবজি ও ডিমের দাম ‘তোমার মতো মেয়ে বিয়ের আগে পাওয়া দরকার ছিল’ বলা সেই শিক্ষক বহিষ্কার ধর্ষণের অভিযোগে বাবার মিথ্যা স্বাক্ষীর বিরুদ্ধে ছেলের অবস্থান। ব্রাজিল জাতীয় দলের সঙ্গে নিজের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘোষণা দিয়েছেন নেইমার জুনিয়র কানাইঘাট পেল নতুন ইউএনও, যোগ দিয়েছেন সুমাইয়া ঢাকা মহানগরে প্রতি ঘন্টায় “১টি তালাক” !!

আমার ধর্ম ইসলাম, আমি কেন মন্দিরে অনুদান দেব?-ফাহিম আল ইসহাক

অন্য ধর্মের উপাসনালয়, বিশেষ করে মন্দির বা গির্জায় আর্থিক অনুদান প্রদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের বিশিষ্ট সমাজসেবক ফাহিম আল চৌধুরী। সম্প্রতি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য দেন।

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, তিনি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী অনুশাসনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার দাবি, একজন মুসলিম হিসেবে ইসলামী শরিয়তের বিধান মেনে চলাই তার দায়িত্ব, আর সেই কারণেই তিনি অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে সরাসরি আর্থিক অনুদান দিতে রাজি নন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার ঈমান ঠিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলা একজন মুসলিম হিসেবে অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে অনুদান দেওয়া আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী।”

তবে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তার এই অবস্থান কোনো সম্প্রদায় বা ধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ কিংবা বৈষম্যমূলক মনোভাব থেকে নয়। বরং মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সব ধর্মের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ যে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ, রাস্তাঘাট সংস্কার কিংবা ব্যক্তিগত বিপদ-আপদে মানবিক সহায়তা করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রস্তুত। তবে ধর্মীয় উপাসনালয়ের ফান্ডে অনুদান দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। একাংশ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অবস্থানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করছেন।

তবে সব মিলিয়ে মানবিক সহায়তা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে অবস্থান রেখে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রশ্নে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার কারণে বিষয়টি জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে মোট বাংলাদেশিদের ৯০-৯৫% সিলেটি সিলেটি বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫-৬ লাখ

আমার ধর্ম ইসলাম, আমি কেন মন্দিরে অনুদান দেব?-ফাহিম আল ইসহাক

আপডেটের সময়: ১২:৫৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

অন্য ধর্মের উপাসনালয়, বিশেষ করে মন্দির বা গির্জায় আর্থিক অনুদান প্রদান থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের বিশিষ্ট সমাজসেবক ফাহিম আল চৌধুরী। সম্প্রতি বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিলে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য দেন।

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, তিনি সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী অনুশাসনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার দাবি, একজন মুসলিম হিসেবে ইসলামী শরিয়তের বিধান মেনে চলাই তার দায়িত্ব, আর সেই কারণেই তিনি অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে সরাসরি আর্থিক অনুদান দিতে রাজি নন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার ঈমান ঠিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলা একজন মুসলিম হিসেবে অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে অনুদান দেওয়া আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী।”

তবে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তার এই অবস্থান কোনো সম্প্রদায় বা ধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ কিংবা বৈষম্যমূলক মনোভাব থেকে নয়। বরং মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সব ধর্মের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ফাহিম আল চৌধুরী বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ যে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ, রাস্তাঘাট সংস্কার কিংবা ব্যক্তিগত বিপদ-আপদে মানবিক সহায়তা করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রস্তুত। তবে ধর্মীয় উপাসনালয়ের ফান্ডে অনুদান দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। একাংশ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অবস্থানের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করছেন।

তবে সব মিলিয়ে মানবিক সহায়তা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে অবস্থান রেখে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রশ্নে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার কারণে বিষয়টি জনমনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।