Dhaka ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বড়চতুলে পুনরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন কি না—গ্রামবাসীর মতামত চাইলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী! গাজী বোরহান উদ্দিন সড়কের সংস্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর কাল, থাকবেন আরিফুল হক, মুফতি আবুল হাসান ও মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। শ্রমিক হয়রানি বন্ধ ও লোভাছড়া পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার দাবিতে মূলাগুল বাজারে শ্রমিক সমাবেশ। দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো আছেন কানাইঘাটের বিশিষ্ট আলেম আল্লামা মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস লক্ষিপুরী হুজুর। ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১ তেলের টাকাই উঠছে না দিনে ভর্তুকি ৫০ হাজার নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে কানাইঘাটের চতুল বাজারে সংঘর্ষ, উত্তেজনা! নতুন স্বপ্নের পথে নবীনদের পদচারণা, একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জানাই উষ্ণ স্বাগতম সহায়তাকারীদের নাম নেই, নাম কামাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সংবাদমাধ্যমের ব্র্যান্ডিং! জকিগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ২১ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন
চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

আরও পড়ুনঃ  কালিগঞ্জে স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইভটিজিংয়ের শিকার, কয়েক সপ্তাহ পর শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বড়চতুলে পুনরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন কি না—গ্রামবাসীর মতামত চাইলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী!

চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

আপডেটের সময়: ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

আরও পড়ুনঃ  সংবর্ধনার নামে হাফিজ ওসামাকে অপমান, ক্ষুব্ধ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিয়ে

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  নতুন স্বপ্নের পথে নবীনদের পদচারণা, একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জানাই উষ্ণ স্বাগতম

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।