
গত ১৫ জুন, অভিযোগ অনুযায়ী, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে স্থানীয় এক যুবক রাফি, যিনি জকিগঞ্জ কৃষি অফিসে পিয়ন হিসেবে কর্মরত, আনোয়ারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে মারধর ও কু/পি/য়ে গুরুতর আহত করেন।
বর্তমানে সেই আনোয়ার হোসেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। তার শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন, আর প্রতিটি মুহূর্ত যেন তার জন্য একেকটি দীর্ঘ ও বিভীষিকাময় রাত।
ব্যথায় কাতরানো এই মানুষটির চোখে এখন শুধু বেঁচে থাকার আকুতি।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, পরিবারের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা ও সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
অথচ আনোয়ারের পরিবারের আর্থিক অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ চালানোই যেখানে অসম্ভব হয়ে উঠেছে, সেখানে ন্যায়বিচারের লড়াই তাদের জন্য যেন আরও কঠিন।
আনোয়ার কোনো ধনী বা প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান নন। তিনি একজন সাধারণ দিনমজুর। প্রতিদিন সকালে কাজের সন্ধানে বের হতেন, আর সন্ধ্যায় ফিরে পরিবারের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দিতেন।
অসুস্থ ও মানসিক ভারসাম্যহীন বাবার চিকিৎসা, সংসারের খরচ, পরিবারের দায়িত্ব, সবকিছুই ছিল তার কাঁধে।
আজ সেই ছেলেটিই হাসপাতালের বেডে মৃত্যুযন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করছে।
স্বজনদের দাবি, তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ফারুক মেম্বারের মাধ্যমে বিচার চেয়েছিলেন উত্তর এসেছে গরিব মানুষ ওরা ১০/১৫ হাজার টাকা নিয়ে সব ভূলে যাও।
ফলে আনোয়ারের বাবা, মা ও স্বজনরা এক বুক কষ্ট নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ন্যায়ের আশায়।
ফলে তাদের হতাশা ও অনিশ্চয়তা দিন দিন আরও বাড়ছে।
প্রশ্ন উঠে, গরিব বলে কি একজন মানুষের রক্তের মূল্য কম? গরিব বলে কি তার কান্না শোনার কেউ নেই? গরিব বলে কি ন্যায়বিচার তার প্রাপ্য নয়?
আমি জকিগঞ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি যেহেতু অভিযুক্ত রাফি উনার অফিসে কাজ করে সে জন্য তিনি সর্বচ্ছ আইনি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় মানিক পুর ইউনিয়নের ফারুক মেম্বার ঘটনার সব সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিবেদকের নাম 









