Dhaka ০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান শাকিল বদলি কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত কানাইঘাটের প্রবাসীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে এমপি মুফতি মোহাম্মদ আবুল হাসান!! কানাইঘাটে কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত গ্রেফতার!! বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যেও সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয়ের অভিযোগ জকিগঞ্জে দুই সপ্তাহে তিনটি ডাকাতি; থানা প্রশাসনকে অবগত করা হলেও নেই দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা। সিলেটে হযরত শাহজালাল মাজারে সামুন অধ্যায় সমাপ্ত কানাইঘাটে প্রসূতি ও মৃত নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা: মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি!! ৬ টা গোল দিয়ে ফ্রান্সের সাথে জিতলো ইংল্যান্ড ডিসি সারওয়ার আলম কানাইঘাটে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বিতর্ক: প্রসূতি ও মৃত নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

ডিসি সারওয়ার আলম

সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম যুগান্তরকে বলেন, আমরা যখন প্রথমবার (২২ জুন) দানের টাকা গুনছিলাম, তখনো হয়তো ৪০-৪৫ ভাগ টাকা পেয়েছি। বাকি টাকা তারা (মাজারের লোকজন) নগদ হাতে হাতে নিয়েছেন। আর ১১ জুলাই ২০-২৫ ভাগ টাকা পাওয়া গেছে। বাকি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। তিনি বলেন, মূলত টাকাটা ওঠে কবরস্থানের পাশের ঝরনা এলাকা থেকে। সেখানে তারা হাতে হাতে টাকা নেন। যারা টাকা নেন তারা ভক্তদের স্পষ্টই বলেন, ‘আপনারা যদি মাজারকে দিতে চান তাহলে আমাদের কাছে দেন, আর যদি সরকারকে দিতে চান তাহলে এই বক্সের মধ্যে ফেলেন।’ এই কারণে দানবাক্স ও ডেকে টাকাটা কম এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  সিলেটের জকিগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৪২ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে, মোতাওয়াল্লি ও খাদেমদের আয়ের মূল উৎস মাজারের সম্পত্তি (মার্কেট, দোকানপাট ও পুকুর) ও ডেক-দানবাক্সের টাকা। এর বাইরে বড় অঙ্কের লেনদেন হয় ব্যক্তিগত নজরানায়। শীর্ষস্থানীয় ভিআইপি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ; বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মধপ্রাচ্য প্রবাসী ভক্তরা যখন মাজারে আসেন, তারা মাজারের জন্য খাদেমদের হাতে লাখ টাকা বা বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণ তুলে দেন। কিন্তু এসব টাকা বা স্বর্ণালংকার তারা মাজারে না দিয়ে নিজেরাই আত্মসাৎ করেন। বাৎসরিক ওরশের সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তদের কাছ থেকে গরু, মহিষ ও বিপুল নগদ অর্থ আদায় হয়। এগুলোও খাদেমদের বিভিন্ন উপ-গ্রুপের মধ্যে বণ্টন করা হয়। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের নামে দানবাক্স চালু আছে।
© যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ  সিলেটে হযরত শাহজালাল মাজারে সামুন অধ্যায় সমাপ্ত
Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান শাকিল বদলি

ডিসি সারওয়ার আলম

আপডেটের সময়: ০৯:৫২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম যুগান্তরকে বলেন, আমরা যখন প্রথমবার (২২ জুন) দানের টাকা গুনছিলাম, তখনো হয়তো ৪০-৪৫ ভাগ টাকা পেয়েছি। বাকি টাকা তারা (মাজারের লোকজন) নগদ হাতে হাতে নিয়েছেন। আর ১১ জুলাই ২০-২৫ ভাগ টাকা পাওয়া গেছে। বাকি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। তিনি বলেন, মূলত টাকাটা ওঠে কবরস্থানের পাশের ঝরনা এলাকা থেকে। সেখানে তারা হাতে হাতে টাকা নেন। যারা টাকা নেন তারা ভক্তদের স্পষ্টই বলেন, ‘আপনারা যদি মাজারকে দিতে চান তাহলে আমাদের কাছে দেন, আর যদি সরকারকে দিতে চান তাহলে এই বক্সের মধ্যে ফেলেন।’ এই কারণে দানবাক্স ও ডেকে টাকাটা কম এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  ৬ টা গোল দিয়ে ফ্রান্সের সাথে জিতলো ইংল্যান্ড

যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে, মোতাওয়াল্লি ও খাদেমদের আয়ের মূল উৎস মাজারের সম্পত্তি (মার্কেট, দোকানপাট ও পুকুর) ও ডেক-দানবাক্সের টাকা। এর বাইরে বড় অঙ্কের লেনদেন হয় ব্যক্তিগত নজরানায়। শীর্ষস্থানীয় ভিআইপি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ; বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মধপ্রাচ্য প্রবাসী ভক্তরা যখন মাজারে আসেন, তারা মাজারের জন্য খাদেমদের হাতে লাখ টাকা বা বিদেশি মুদ্রা ও স্বর্ণ তুলে দেন। কিন্তু এসব টাকা বা স্বর্ণালংকার তারা মাজারে না দিয়ে নিজেরাই আত্মসাৎ করেন। বাৎসরিক ওরশের সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তদের কাছ থেকে গরু, মহিষ ও বিপুল নগদ অর্থ আদায় হয়। এগুলোও খাদেমদের বিভিন্ন উপ-গ্রুপের মধ্যে বণ্টন করা হয়। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের নামে দানবাক্স চালু আছে।
© যুগান্তর

আরও পড়ুনঃ  কানাইঘাটে প্রসূতি ও মৃত নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা: মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি!!